কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজে ২০১২-১৩ শিক্ষাবর্ষে ৪ বছর মেয়াদি অনার্স কোর্সে ১ম বর্ষে ভর্তি ক্ষেত্রে অচল খাতে অতিরিক্ত ফি আদায়ের প্রেক্ষিতে প্রগতিশীল ছাত্র জোটের নেতাকর্মীদের সাথে অত্র কলেজের উপাধ্যক্ষ কর্তৃক নিয়ম বহির্ভুত বক্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়েছে ছাত্র ইউনিয়ন ও ছাত্র ফ্রন্ট নেতৃবৃন্দ।
উল্লেখ্য যে, অত্র শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অনার্স ১ম বর্ষে ভর্তির ক্ষেত্রে মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা শাখার জন্য সর্বমোট ৩২৮৫ টাকা এবং বিজ্ঞান শাখার জন্য ৩৭৮৫ টাকা নির্ধারণ করে কলেজ কর্তৃপক্ষ ২ জানুয়ারি বিকেলে নোটিশ টানিয়ে দেয়। কিন্তু দেখা যায় জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় উভয় শাখার জন্য ৮৭০ টাকা ফি নির্ধারণ করে। কলেজ কর্তৃপক্ষ অতিরিক্ত ফি হিসেবে মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা শাখার জন্য ২৪১৫ টাকা এবং বিজ্ঞান শাখার জন্য ২৯১৫ টাকা অতিরিক্ত আদায়ের নোটিশ দিয়েছে। এই অতিরিক্ত ফি আদায়ের খাতসমূহের মধ্যে সেমিনার ফি, মাস্টাররোল কর্মচারীর বেতন (দুই দফা), টিউটোরিয়াল ফি, ছাত্র সংসদ ফি, ধর্মীয় ফি, সাহিত্য-সংস্কৃতি ফি, ক্রীড়া ফি, ম্যাগাজিন ফি, পরিচয়পত্র ফি, উন্নয়ন তহবিল, লাইব্রেরি ফি, মসজিদ ফি, পরিবহন ও যাতায়াত ফি, দরিদ্র তহবিল ফি, চিকিৎসা ফি, ব্যবস্থাপনা ও বিশেষ দিন উদযাপন ফি প্রভৃতি অর্তভুক্ত। অথচ উল্লেখিত প্রায় সকল খাতই গত ১ যুগ ধরে অচল খাত হিসেবে পড়ে আছে। বিশ্লেষণে দেখা যায় কর্মচারীদের বেতন বাবদ প্রতি বছরে ১৮ লক্ষ টাকা প্রয়োজন। অথচ অনার্স ১ম বর্ষে ভর্তিসহ ৪টি শিক্ষাবর্ষ, এইচ. এস. সি, ডিগ্রি পাসকোর্স (৩টি শিক্ষাবর্ষ) এবং মাস্টার্সসহ প্রায় অর্ধ কোটি টাকারও বেশি উত্তোলন করছে। তাছাড়া এখন পর্যন্ত পরিবহন ব্যবস্থা, আবাসন ব্যবস্থা, চিকিৎসা ব্যবস্থাসহ কোন খাতেই কোন অগ্রগতি নেই।
এই অসঙ্গতিগুলো নিয়ে গত বৃহস্পতিবার ছাত্র ইউনিয়ন নেতৃবৃন্দ কলেজের উপাধ্যক্ষের সাথে আলোচনা করতে গেলে শিক্ষার সাথে আলু-পটলের সম্পর্ক দেখিয়ে বলেন, ‘সময়ের সাথে জিনিসপত্রের দাম যেমন বেড়েছে শিক্ষার ব্যয়ভারও তেমন বেড়েছে।’ অপর একজন শিক্ষক বলেন, তোমরা ‘ধান্দা’ করতে এসেছ। তাছাড়া তিনি বলেন, ‘এইসব হিসাব তোমাদের দিতে বাধ্য নই।’ খেলাধুলা সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘ছাত্ররা খেলাধুলার সুযোগ না পেলেও শিক্ষকরা তো ব্যাটমিন্টন খেলেন।’ পরিবহন খাতের ব্যাপারে তিনি বলেন, ‘অধ্যক্ষ-উপাধ্যক্ষ-শিক্ষকদের যাতায়াত এবং জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে যাওয়া-আসাতে এই অর্থ ব্যয় হয়।’ প্রগতিশীল ছাত্রজোটের নেতারা দাবি করেন, যেহেতু ছাত্রদের নিকট থেকে ফি নিয়ে এসব খরচ মেটানো হয়, সেক্ষেত্রে ছাত্রদের নিকট এইসব ব্যয়ের স্বচ্ছতা থাকা জরুরী। এই প্রেক্ষিতে উপাধ্যক্ষ বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের টাকা নিয়ে খরচ করা সরকারি সিস্টেম। শিক্ষার্থীদের নিকট এই হিসাব দিতে বাধ্য নই। এই টাকা নিয়ে আমরা কী করি সেটা আমাদের ব্যাপার। তোমরা যাও, ডিস্টার্ব কোরিও না।’
আমরা প্রগতিশীল ছাত্রজোটের পক্ষ থেকে অচল খাতে ফি প্রত্যাহার এবং মাস্টারোল কর্মচারীদের বেতন বাবদ অতিরিক্ত অর্থ আত্মসাতের তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
উল্লেখ্য যে, অত্র শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অনার্স ১ম বর্ষে ভর্তির ক্ষেত্রে মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা শাখার জন্য সর্বমোট ৩২৮৫ টাকা এবং বিজ্ঞান শাখার জন্য ৩৭৮৫ টাকা নির্ধারণ করে কলেজ কর্তৃপক্ষ ২ জানুয়ারি বিকেলে নোটিশ টানিয়ে দেয়। কিন্তু দেখা যায় জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় উভয় শাখার জন্য ৮৭০ টাকা ফি নির্ধারণ করে। কলেজ কর্তৃপক্ষ অতিরিক্ত ফি হিসেবে মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা শাখার জন্য ২৪১৫ টাকা এবং বিজ্ঞান শাখার জন্য ২৯১৫ টাকা অতিরিক্ত আদায়ের নোটিশ দিয়েছে। এই অতিরিক্ত ফি আদায়ের খাতসমূহের মধ্যে সেমিনার ফি, মাস্টাররোল কর্মচারীর বেতন (দুই দফা), টিউটোরিয়াল ফি, ছাত্র সংসদ ফি, ধর্মীয় ফি, সাহিত্য-সংস্কৃতি ফি, ক্রীড়া ফি, ম্যাগাজিন ফি, পরিচয়পত্র ফি, উন্নয়ন তহবিল, লাইব্রেরি ফি, মসজিদ ফি, পরিবহন ও যাতায়াত ফি, দরিদ্র তহবিল ফি, চিকিৎসা ফি, ব্যবস্থাপনা ও বিশেষ দিন উদযাপন ফি প্রভৃতি অর্তভুক্ত। অথচ উল্লেখিত প্রায় সকল খাতই গত ১ যুগ ধরে অচল খাত হিসেবে পড়ে আছে। বিশ্লেষণে দেখা যায় কর্মচারীদের বেতন বাবদ প্রতি বছরে ১৮ লক্ষ টাকা প্রয়োজন। অথচ অনার্স ১ম বর্ষে ভর্তিসহ ৪টি শিক্ষাবর্ষ, এইচ. এস. সি, ডিগ্রি পাসকোর্স (৩টি শিক্ষাবর্ষ) এবং মাস্টার্সসহ প্রায় অর্ধ কোটি টাকারও বেশি উত্তোলন করছে। তাছাড়া এখন পর্যন্ত পরিবহন ব্যবস্থা, আবাসন ব্যবস্থা, চিকিৎসা ব্যবস্থাসহ কোন খাতেই কোন অগ্রগতি নেই।
এই অসঙ্গতিগুলো নিয়ে গত বৃহস্পতিবার ছাত্র ইউনিয়ন নেতৃবৃন্দ কলেজের উপাধ্যক্ষের সাথে আলোচনা করতে গেলে শিক্ষার সাথে আলু-পটলের সম্পর্ক দেখিয়ে বলেন, ‘সময়ের সাথে জিনিসপত্রের দাম যেমন বেড়েছে শিক্ষার ব্যয়ভারও তেমন বেড়েছে।’ অপর একজন শিক্ষক বলেন, তোমরা ‘ধান্দা’ করতে এসেছ। তাছাড়া তিনি বলেন, ‘এইসব হিসাব তোমাদের দিতে বাধ্য নই।’ খেলাধুলা সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘ছাত্ররা খেলাধুলার সুযোগ না পেলেও শিক্ষকরা তো ব্যাটমিন্টন খেলেন।’ পরিবহন খাতের ব্যাপারে তিনি বলেন, ‘অধ্যক্ষ-উপাধ্যক্ষ-শিক্ষকদের যাতায়াত এবং জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে যাওয়া-আসাতে এই অর্থ ব্যয় হয়।’ প্রগতিশীল ছাত্রজোটের নেতারা দাবি করেন, যেহেতু ছাত্রদের নিকট থেকে ফি নিয়ে এসব খরচ মেটানো হয়, সেক্ষেত্রে ছাত্রদের নিকট এইসব ব্যয়ের স্বচ্ছতা থাকা জরুরী। এই প্রেক্ষিতে উপাধ্যক্ষ বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের টাকা নিয়ে খরচ করা সরকারি সিস্টেম। শিক্ষার্থীদের নিকট এই হিসাব দিতে বাধ্য নই। এই টাকা নিয়ে আমরা কী করি সেটা আমাদের ব্যাপার। তোমরা যাও, ডিস্টার্ব কোরিও না।’
আমরা প্রগতিশীল ছাত্রজোটের পক্ষ থেকে অচল খাতে ফি প্রত্যাহার এবং মাস্টারোল কর্মচারীদের বেতন বাবদ অতিরিক্ত অর্থ আত্মসাতের তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
০৪ জানুয়ারি ২০১৩
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন