গত ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১২ খ্রি. তারিখে পরিবেশ বীক্ষণ, কুড়িগ্রাম-এর আয়োজনে কুড়িগ্রাম পাবলিক লাইব্রেরি মিলনায়তনে সকাল ১০ টায় জলবায়ু বিপর্যয় বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।
সেমিনারে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন কুড়িগ্রাম জেলা সংসদের সভাপতি ও কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ছাত্রনেতা মোকলেছুর রহমান, ছাত্রনেতা মারুফ, ছাত্রনেতা নয়ন সরখেল প্রমুখ।
মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন শাহ ফরিদ, প্রবন্ধটি পাঠ করেন নিরঞ্জন চন্দ্র রায়। মূল প্রবন্ধে বলা হয়, “অতীতের শিল্পোন্নত দেশগুলির বাজার কাড়াকাড়ি, যুদ্ধ, প্রকৃতি বিনষ্ট এইগুলির ফলাফল আজকের জলবায়ু বিপর্যয়। যে বিজ্ঞান রপ্ত করে মানুষ কাজে লাগিয়েছে প্রকৃতির বিরুদ্ধে, সেই প্রকৃতি বিচারের রায় লিখিত হইতেছে বিজ্ঞানীদের হাতেই। তারা বলতেছে, অপরাধী মানুষ ও তাদের সভ্যতা। এইটুকু বলেই খালাস! কোন মানুষ? কাদের সভ্যতা?”
মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন শাহ ফরিদ, প্রবন্ধটি পাঠ করেন নিরঞ্জন চন্দ্র রায়। মূল প্রবন্ধে বলা হয়, “অতীতের শিল্পোন্নত দেশগুলির বাজার কাড়াকাড়ি, যুদ্ধ, প্রকৃতি বিনষ্ট এইগুলির ফলাফল আজকের জলবায়ু বিপর্যয়। যে বিজ্ঞান রপ্ত করে মানুষ কাজে লাগিয়েছে প্রকৃতির বিরুদ্ধে, সেই প্রকৃতি বিচারের রায় লিখিত হইতেছে বিজ্ঞানীদের হাতেই। তারা বলতেছে, অপরাধী মানুষ ও তাদের সভ্যতা। এইটুকু বলেই খালাস! কোন মানুষ? কাদের সভ্যতা?”
প্রবন্ধে আরো বলা হয়, “১৯৯২ খিস্টাব্দে জাতিসংঘ ব্রাজিলে আয়োজন করলো ধরিত্রী সম্মেলন। সেখানে শিল্পোন্নত দেশগুলি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা না নিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলির জন্য ফান্ড গঠনের অঙ্গীকার করলো। অধিক মাত্রায় গ্রীণ হাউজ গ্যাস নির্গমণকারী শিল্পগুলি বর্জন না করে তারা ফান্ড গঠন করবে এতে করে তারা ঐ শিল্পগুলির মাধ্যমে নিয়মিত দূষণের অধিকার পাবে।”
প্রবন্ধের শেষে বলা হয়, “পরিবেশ অপরাধীরা সভা-সমিতি করে ফান্ড গঠন করতেই থাকিবে আর ক্ষতিগ্রস্ত দেশের সরকারগুলি মেরুদন্ডহীন ভিক্ষুকের মতো দাঁড়িয়ে নজর দিবে ঝুলির দিকেই। এদিকে জলবায়ু বিপর্যয়রোধ দীর্ঘায়িত হতেই থাকিবে। চাই ব্যবস্থার পরিবর্তন। ব্যবস্থার পরিবর্তন ছাড়া জলবায়ু বিপর্যয় রোধ সম্ভব নয়। এজন্য প্রয়োজন ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলির জনগণের গণঐক্য ও গণপ্রতিরোধ।”
উল্লেখ্য সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন পরীবেশ বীক্ষণ, কুড়িগ্রাম-এর সাধারণ সম্পাদক সাম্য রাইয়ান।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন